আবহাওয়া

শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ঝড়টির সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। ঘূর্ণিঝড়টির পরোক্ষ প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

আইএমডির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি গত ছয় ঘণ্টায় উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়েছে এবং শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি চেন্নাই থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে, অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর থেকে ২৯০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে, মাচিলিপত্তনম থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টা থেকে ৩ নভেম্বর ভোর ৪টার মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায়, ওঙ্গোলের কাছাকাছি এটি আঘাত হানতে পারে।

উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাবে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলাতেও হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

ক্যাটাগরি