বড় মহেশখালী দারুল কোরআন সুন্নীয়া দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি ইছহাক মিয়া ফরিদ
শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও অর্জনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যাশায় বড় মহেশখালী দারুল কোরআন সুন্নীয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৪ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। ২৭ অক্টোবর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উচ্চ শিক্ষিত ও মেধাবী শিক্ষার্থী ইছহাক মিয়া ফরিদ।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গঠিত এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে ইছহাক মিয়া ফরিদ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শিক্ষিত, দায়িত্বশীল ও দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের মাধ্যমে মাদ্রাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম আরো এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইছহাক মিয়া ফরিদ বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাকাটা এলাকার বাসিন্দা ও বড় মহেশখালী দারুল কোরআন সুন্নীয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত। তাঁর শিক্ষা, মেধা, ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্বশীল মানসিকতা কে মাদ্রাসার জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে এমন একজন শিক্ষিত ও মেধাবী ব্যক্তি থাকলে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। ইছহাক মিয়া ফরিদ তাঁর মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আরো এগিয়ে নিতে পারবেন এমন প্রত্যাশাই তাদের।
তারা আরো বলেন, নিজের যোগ্যতা ও শিক্ষাগত অবস্থানও তাকে স্বতন্ত্রভাবে পরিচিত করেছে। ফলে তাঁর নেতৃত্বে বড় মহেশখালী দারুল কোরআন সুন্নীয়া দাখিল মাদ্রাসা নতুনভাবে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে।
‘দায়িত্বকে আমানত হিসেবে নিয়ে কাজ করবে—ইছহাক মিয়া ফরিদ ।
নবনির্বাচিত সভাপতি ইছহাক মিয়া ফরিদ বলেন,
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমার ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, আমি এটিকে শুধু একটি পদ হিসেবে দেখছি না; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত ও দায়িত্ব হিসেবে দেখছি। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা আপসের সুযোগ নেই। আমি সততা, নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই।
বড় মহেশখালী দারুল কোরআন সুন্নীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুনাম ও অর্জন ধরে রাখা আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার চেষ্টা থাকবে।
আমি চাই, এই প্রতিষ্ঠান শুধু ফলাফলের দিক থেকে নয়—শিক্ষা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও যোগ্যতার দিক থেকেও একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠুক। আমাকে যে আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি আমার কাজের মাধ্যমে তার প্রতিদান দিতে চাই। এজন্য শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ইছহাক মিয়া ফরিদের নেতৃত্বে মাদ্রাসা তার সুনাম ও অর্জনের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শিক্ষা ও মানসম্মত পরিবেশ তৈরিতে আরও এগিয়ে যাবে।