এক্সক্লুসিভ

খুরুশকুলে শ্বশুর-শাশুড়িকে মা-বাবা সাজিয়ে বানানো ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ বাতিলের আবেদন, ইউএনও কে তদন্তের নির্দেশ

খুরুশকুলে রোহিঙ্গা যুবকের কান্ড

ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ বাতিলের আবেদন, ইউএনও কে তদন্তের নির্দেশ।

কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নে নিজের শ্বশুর-শাশুড়িকে পিতা-মাতা পরিচয় দিয়ে নেওয়া ঐ ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সচেতন নাগরিকের আবেদনের ভিত্তিতে ঐ জন্ম সনদের বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুরুল আলমের পিতা মোঃ জুয়েল একজন রোহিঙ্গা নাগরিক। সে জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন আগে বাংলাদেশে আসে এবং খুরুশকুল, পিএমখালী সহ বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুরের কাজ শুরু করে। একপর্যায় পিএমখালী তোতকখালী এলাকা থেকে ছারা খাতুন নামের এক নারীকে বিয়ে করে ঐ এলাকায় বসবাস শুরু করে। নুরুল আলম খুরুশকুল পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার আরেক পুরাতন রোহিঙ্গা ছমি উদ্দিনের মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে। পরবর্তীতে নুরুল আলম সাগর পথে অবৈধভাবে মালেয়শিয়া চলে যায়। সে মালেয়শিয়া থাকাবস্থায় শ্বশুর ছমি উদ্দিন ও শাশুড়ি মাছুদা খাতুন জামাতাকে নিজের ছেলে পরিচয় দিয়ে কৌশলে খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদ হতে ২০২৩ সালে জন্ম নিবন্ধন সনদ করে নেয়। উক্ত জম্ম নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে নুরুল আলম মালেয়শিয়া হতে বাংলাদেশে ফিরে আসার আবেদন করলে স্থানীয়দের মাঝে শুরু হয় জানা-জানি।

বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের মাঝে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ঐ জন্ম নিবন্ধনের সময় ব্যবহৃত তথ্য, পিতা-মাতার পরিচয়, ঠিকানা এবং সংশ্লিষ্ট কাগজ-পত্র যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। শ্বশুর-শাশুড়িকে পিতা-মাতা হিসেবে দেখিয়ে জন্ম নিবন্ধন করার পেছনে কারা সহযোগিতা করেছে এবং কীভাবে নিবন্ধনটি সম্পন্ন হয়েছে, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন স্থানীয়রা।

ক্যাটাগরি