এক্সক্লুসিভ

পুলিশ যাবে কোথায়? ।। সম্পাদকীয়।।

সামনে দায়িত্ব, পেছনে শাস্তি: চাপের মুখে একটি বাহিনী

  • রাজনৈতিক চাপ, বদলি-প্রত্যাহারের বিতর্ক ও অতীতের অভিযোগে বিপর্যস্ত পেশাগত মনোবল, পুলিশের সংকট কি শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তাহীন করে তুলবে সাধারণ মানুষকেও?

একদিকে দায়িত্ব পালন করলে বদলি প্রত্যাহার কিংবা বরখাস্তের ভয় অন্যদিকে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে অপরাধীকে সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ। সামনে এগোলে চাকরি হারানোর শঙ্কা, পেছনে ফিরলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়। মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা শেষ পর্যন্ত কোন পথ বেছে নেবেন আইনের পথ, নাকি নিজের চাকরি বাঁচানোর পথ?

এই প্রশ্ন আজ শুধু পুলিশের নয়, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়েও।

আওয়ামী লীগের মিছিল, এনসিপির কর্মসূচি, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্ন, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের অভিযান কিংবা সড়কে আইন প্রয়োগ বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলি, প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে জনপরিসরে নানা আলোচনা রয়েছে। কোথাও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ, কোথাও দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন, আবার কোথাও সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবের সন্দেহ।

ঘটনাগুলোর প্রতিটি আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। কিন্তু এসব বিতর্কের মধ্য দিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে পুলিশ কি স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারছে, নাকি প্রতিটি পদক্ষেপের আগে হিসাব করতে হচ্ছে কার স্বার্থে আঘাত লাগবে?

দায়িত্ব পালন করেও যদি রক্ষা না মেলে! 

একজন পুলিশ সদস্য যখন ইউনিফর্ম পরেন, তখন তাঁর কাছে প্রত্যাশা থাকে তিনি আইন রক্ষা করবেন, অপরাধীকে আইনের আওতায় আনবেন, নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাঁর সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করবে না।

কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি তাঁকে প্রতিনিয়ত বদলি, প্রত্যাহার কিংবা বিভাগীয় শাস্তির আশঙ্কায় থাকতে হয়, তাহলে তাঁর পেশাগত স্বাধীনতা কতটা অটুট থাকবে?

ধরা যাক, একজন কর্মকর্তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে একটি সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্তটি কারও রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে গেল। এরপর যদি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে অন্য কর্মকর্তারা কী বার্তা পাবেন? তাঁরা কি পরবর্তী সময়ে একই সাহস নিয়ে আইন প্রয়োগ করবেন, নাকি সম্ভাব্য পরিণতির কথা ভেবে পিছিয়ে যাবেন?

আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এমন দ্বিধা তৈরি হলে তার মূল্য শেষ পর্যন্ত দিতে হয় সাধারণ মানুষকেই।

সামনে অপরাধী, পেছনে প্রশাসনিক শঙ্কা :

অপরাধী গ্রেপ্তারের অভিযান কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সাহসের পরীক্ষা মাত্র নয় এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা, কার্যকর গোয়েন্দা তথ্য, আইনি সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব।

একজন কর্মকর্তা অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে যদি আশঙ্কা করেন, অভিযানের পর তাঁকেই জবাবদিহির নামে হয়রানির মুখে পড়তে হতে পারে, তাহলে বাহিনীর কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

অবশ্যই প্রতিটি অভিযান আইনসম্মত হতে হবে। ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি আটক কিংবা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আইন মেনে অপরাধ দমনের উদ্যোগ নিলে একজন কর্মকর্তাকে যদি অযৌক্তিক প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়তে হয়, তাহলে সেই ব্যবস্থারও জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।

একটি রাষ্ট্রে অপরাধীর ভয় পাওয়ার কথা আইনকে, আর আইন প্রয়োগকারীর আস্থা থাকার কথা ন্যায়সংগত ব্যবস্থার ওপর। এই সম্পর্ক উল্টে গেলে সংকট কেবল একটি বাহিনীতে সীমাবদ্ধ থাকে না।

২৪-এর আগে ও পরে: দুই বাস্তবতার মাঝখানে পুলিশ :

২০২৪ সালের আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দেশে ব্যাপক বিতর্ক ও গুরুতর অভিযোগ ছিল। আন্দোলন দমন, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে পুলিশের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সমালোচিত হয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রমাণিত অপরাধের বিচার হওয়া জরুরি।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের পর পুলিশি ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তাদের পদায়ন, দায়িত্ব পালনের স্বাধীনতা এবং বাহিনীর মনোবল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অতীতের অন্যায়ের বিচার করতে গিয়ে যেন ন্যায়বিচারের নীতিই বিসর্জন না দেওয়া হয়। আবার বাহিনীর মনোবল রক্ষার যুক্তিতে যেন কোনো অপরাধের দায় আড়াল করা না হয়।

যিনি অপরাধ করেছেন, তাঁর পরিচয় যা-ই হোক, তাঁকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। যিনি নিরপরাধ, তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা অনুমানের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়া যাবে না। আর যিনি আইন মেনে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁর পেশাগত সিদ্ধান্তের মূল্যায়ন হতে হবে প্রমাণ, বিধি ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে।

ন্যায়বিচারের এই ভারসাম্যই রাষ্ট্রের শক্তি।

সব দায় কি শুধু পুলিশের? :

বাংলাদেশের জনপরিসরে পুলিশকে ঘিরে ক্ষোভের একটি বড় কারণ হলো ঘুষ, হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দায়িত্বে অবহেলার অভিজ্ঞতা। এসব অভিযোগ অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জনগণের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করলে পুলিশের জবাবদিহি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

কিন্তু দুর্নীতি কি শুধু পুলিশের একচেটিয়া সমস্যা? কাস্টমস, ভূমি প্রশাসন, বিদ্যুৎ খাত, বন্দর কিংবা অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে সেগুলো নিয়েও কি সমান গুরুত্বে আলোচনা হয়? রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা নাগরিক সেবা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের ক্ষেত্রে কি একই রকম অনুসন্ধান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়?

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার তদন্ত হোক। অন্য প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি থাকলে সেখানেও তদন্ত হোক। এক বিভাগের ব্যর্থতা তুলে ধরে অন্য বিভাগের অনিয়ম আড়াল করা যেমন অন্যায়, তেমনি একটি বাহিনীর কিছু সদস্যের অপরাধ দিয়ে পুরো বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে একই কাঠগড়ায় দাঁড় করানোও যুক্তিসংগত নয়।

গণমাধ্যমের দায়িত্বও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। আলোচিত ঘটনার ভিডিও প্রচার করাই শেষ কথা নয় ঘটনার প্রেক্ষাপট, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইনি অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরাও সাংবাদিকতার দায়িত্ব।

ঊর্ধ্বতনদের সিদ্ধান্ত, নিচের সারির সদস্যদের মাশুল :

একটি বাহিনীর নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে মাঠপর্যায়ের সদস্যদের ওপর। নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, প্রশাসনিক আদেশ আসে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কিন্তু জনতার মুখোমুখি হন কনস্টেবল, এএসআই, এসআই, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কিংবা এসপি।

কোনো পরিস্থিতিতে তাঁরা কঠোর হলে এক পক্ষের ক্ষোভের মুখে পড়েন, নমনীয় হলে অন্য পক্ষের অভিযোগের মুখে পড়েন। আর তাঁদের সিদ্ধান্তের পরিণতি যদি হয় বদলি, প্রত্যাহার কিংবা শাস্তি, তাহলে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস নষ্ট হতে পারে।

তবে সব বদলি বা প্রত্যাহারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলা যাবে না। প্রশাসনিক প্রয়োজন, তদন্তের স্বার্থ কিংবা দায়িত্বে অবহেলার কারণেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। প্রশ্ন হলো, সিদ্ধান্তগুলো কি স্বচ্ছ? কারণ কি লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে? একই ধরনের ঘটনায় সবার ক্ষেত্রে কি একই মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট না হলে সন্দেহ বাড়বে, আর সন্দেহের বোঝা বইতে হবে পুরো বাহিনীকে।

পুলিশ দুর্বল হলে নিরাপত্তাহীন হবে কে? :

পুলিশের প্রতি মানুষের ক্ষোভ থাকতে পারে, সমালোচনা থাকতে পারে, সংস্কারের দাবি থাকতেই পারে। কিন্তু একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না পুলিশের ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সাধারণ নাগরিককে।

রাতে বিপদে পড়া মানুষটি প্রথমে কোথায় সাহায্য চাইবেন? চুরি, ছিনতাই কিংবা সহিংসতার শিকার ব্যক্তি কার কাছে যাবেন? নিখোঁজ স্বজনের সন্ধানে, প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে কিংবা এলাকায় অপরাধের বিস্তার ঠেকাতে মানুষ কোন প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হবেন?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের আবার পুলিশের কাছেই ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো বাহিনী বিশেষ পরিস্থিতিতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু নিয়মিত অপরাধ তদন্ত, থানাভিত্তিক সেবা, মামলা গ্রহণ, জননিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন আইন প্রয়োগের জন্য একটি কার্যকর পুলিশব্যবস্থার বিকল্প তৈরি করা সহজ নয়।

তাই পুলিশকে অন্ধভাবে সমর্থন করা নয়, আবার নির্বিচারে দুর্বল করে দেওয়াও নয় প্রয়োজন এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে জনগণ পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার পাবে এবং পুলিশও আইন মেনে দায়িত্ব পালনের জন্য ন্যায্য প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা পাবে।

এখন প্রয়োজন প্রতিহিংসা নয়, জবাবদিহিমূলক সংস্কার :

পুলিশের সংকট কাটাতে হলে কয়েকটি বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

প্রথমত, বদলি, প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণ স্বচ্ছ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, পুলিশি নির্যাতন, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। চতুর্থত, আইনসম্মত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো কর্মকর্তা যেন অযৌক্তিক প্রতিশোধের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। পঞ্চমত, বাহিনীর নেতৃত্বকে রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে পেশাগত দক্ষতা, সততা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে।

একই সঙ্গে পুলিশ সংস্কারে জনগণের অংশগ্রহণ, মানবাধিকার সুরক্ষা, স্বাধীন অভিযোগ তদন্ত এবং কার্যকর বিচারব্যবস্থার সমন্বয় প্রয়োজন।

পুলিশ থাকবে কার পক্ষে? :

পুলিশ কি ক্ষমতাবানদের সন্তুষ্ট রাখবে, নাকি আইনের পক্ষে দাঁড়াবে? রাজনৈতিক চাপ এড়িয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলে যদি চাকরি হারানোর ভয় থাকে, তবে পেশাগত সততা কীভাবে টিকবে? আবার ক্ষমতার অপব্যবহার করেও যদি কেউ জবাবদিহির বাইরে থেকে যায়, তাহলে জনগণের আস্থা ফিরবে কীভাবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। উত্তর দিতে হবে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের জায়গা থেকে।

পুলিশের অপরাধের বিচার হোক। নিরপরাধ পুলিশ সদস্যের অধিকার রক্ষা করা হোক। দায়িত্বে অবহেলার শাস্তি হোক, আবার সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের সম্মানও নিশ্চিত হোক।

কারণ, একটি রাষ্ট্রের পুলিশকে ভয় দেখিয়ে নয়, আইনের অধীনে রেখে শক্তিশালী করতে হয়। রাজনৈতিক আনুগত্যের শৃঙ্খলে বেঁধে নয়, পেশাগত নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে দাঁড় করাতে হয়।

পুলিশকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় পুলিশব্যবস্থাকে অকার্যকর করে ফেলা যাবে না। পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং জনগণের অধিকার রক্ষা এই দুই লক্ষ্যকে একসঙ্গে অর্জন করাই এখন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

দিনশেষে পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয় পুলিশ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানকে নিরপেক্ষ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক রাখা না গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শুধু পুলিশ নয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে নাগরিকের নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং পুরো দেশ।

লেখক : গণমাধ্যম কর্মী ও গবেষক।

ক্যাটাগরি