জাতীয়

স্পিকার পদে আলোচনায় ড. মঈন খান

বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী-এর পদত্যাগের ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তার সভাপতিত্বেই অনুষ্ঠিত হবে নতুন স্পিকার নির্বাচন।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো দায়িত্ব পাননি।

এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই প্রবীণ নেতাকে স্পিকার পদে দেখা যেতে পারে—এমন গুঞ্জন রয়েছে।

ড. আবদুল মঈন খানের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাকে সংসদের সম্মানজনক কোনো পদে রাখা হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

সংবিধান অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সাধারণত বিদায়ী স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচনের বিধান থাকলেও এবারের পরিস্থিতিতে সেই দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রহণযোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিবেচনায় স্পিকার পদে ড. আবদুল মঈন খানকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা সংসদের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কোন দিকে যায়।

ক্যাটাগরি