বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয়

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে রাজনীতির সংশ্লিষ্টতা নেই: পরিবেশমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন এবং এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বিষয় জড়িত নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের একটি কনভেনশন হলে ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বিষয় সম্পৃক্ত নয়।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করেছেন। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে এবং তারা মাদক, কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে থাকবে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ব্যবসার প্রসারে আইনশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা না থাকলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের সম্পদ সৃষ্টি হয় উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ব্যবসার মাধ্যমে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য কমাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয় ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ হলে সামাজিক বৈষম্যও কমে আসে। প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বিশ্বে সম্পদের ধারণা বদলে গেছে, তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

নিজের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানি করা উচিত নয়। তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, রাজনীতি অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, আবার শক্তিশালী অর্থনীতিও রাজনীতিকে আরও পরিশীলিত করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক।

এ সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাটাগরি