কক্সবাজার জেলা

আজ মহাষষ্ঠী, দুর্গোৎসবে মাতবে কক্সবাজারের ৩২৪ মণ্ডপ

১৫৪ মণ্ডপে প্রতিমা পূজা, ১৭০টিতে ঘট পূজা

আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় মোট ৩২৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৪টি মণ্ডপে প্রতিমা পূজা এবং ১৭০টি মণ্ডপে ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পাঁচ দিন দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়। তবে এ বছর পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহাসপ্তমীর তিথি দুই দিনে পড়ায় পূজার আনুষ্ঠানিকতা ছয় দিন ধরে চলবে। সূচি অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) ও রবিবার (১৮ অক্টোবর) মহাসপ্তমী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা এবং মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী পালিত হবে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উৎসব।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গা কৈলাস থেকে কন্যারূপে মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে বেড়াতে আসেন। পুরাণের বর্ণনা অনুসারে, অসুরশক্তির বিনাশ এবং শুভশক্তির প্রতিষ্ঠার জন্য দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। তাঁর পূজা অশুভ শক্তির বিনাশ ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়ায়) এবং গমন নৌকায়। হিন্দু শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবতাদের সম্মিলিত তেজরশ্মি থেকে অসুরবিনাশী দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। অসুরশক্তির অত্যাচারে স্বর্গচ্যুত দেবতারা সেই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হলে মহাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন দেবী দুর্গা।

ক্যাটাগরি