বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতি

স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ৩০ হাজার ৩৮৪ টাকা

রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর দেশের স্বর্ণবাজারে হঠাৎ বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। টানা দুই দিনের ব্যবধানে দেশে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে মোট ৩০ হাজার ৩৮৪ টাকা। দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে নতুন দাম ঘোষণা করেছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার এক দফায় ভরিপ্রতি ১৫ হাজার ৭৬২ টাকা কমানো হয়। এর আগের দিন শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমানো হয়েছিল।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৯১৫ টাকা। এতে দেশীয় পরিমাপে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরিপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা।

বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এর আগে শুক্রবার ঘোষিত দামে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা, যা একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ১৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ বার দাম বেড়েছে এবং ৫ বার কমেছে। আর গত বছর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল মোট ৯৩ বার।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ৩০২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় চাহিদার ওঠানামার প্রভাবেই স্বর্ণ ও রুপার দামে এই বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

ক্যাটাগরি