বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার জেলা

ঘুমধুম সীমান্তে ৩ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ

মাদক গডফাদার আবুল ফয়েজ ও আবুল কাছিমের সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে পৃথক দুই অভিযানে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের সঙ্গে ক্যাম্পভিত্তিক প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেটের শীর্ষ দুই ব্যক্তি আবুল ফয়েজ ও আবুল কাছিমের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিজিবির ৩৪ বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার–৩১ থেকে প্রায় ১ দশমিক ১ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাঁকড়া ব্রিজ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বালুখালী ৯ নম্বর এফডিএমএন ক্যাম্পে বসবাসরত আবু সিদ্দিকের ছেলে বছির আহম্মেদ (৫০) নামের এক রোহিঙ্গা নাগরিককে ৮০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার চালানটি নিয়ন্ত্রণ করছিল ক্যাম্প-৮ই এলাকার কথিত মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী গডফাদার আবুল ফয়েজ ও আবুল কাছিম। তারা নাজির হোসেনের দুই ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তঘেঁষা এলাকায় সক্রিয় একটি শক্তিশালী পাচার চক্র পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, আটক বছির আহম্মেদ তাদের সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য হিসেবে ইয়াবা পরিবহনের দায়িত্বে ছিল।

এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে একই ব্যাটালিয়নের অধীন বাইশফাঁড়ী বিওপির একটি দল সীমান্ত পিলার–৩৬ থেকে প্রায় ২০০ গজ ভেতরে বাঁশঝাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকা আরও ২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে। ধারণা করা হচ্ছে, এ চালানটিও একই সিন্ডিকেটের ছিল।

বিজিবি জানায়, দুই অভিযানে জব্দকৃত ইয়াবার মোট পরিমাণ ৩ লাখ ৩০ হাজার পিস। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হবে।

৩৪ বিজিবি এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ক্যাটাগরি