কক্সবাজারে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার
টেকনাফে র্যাবের অভিযানে ৬ লাখ পিস ইয়াবাসহ মাদক চোরা কারবারি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান রবিবার বিকেলে জানান, র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে কতিপয় বিদেশি নাগরিক মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে মাদক নিয়ে মিয়ানমার থেকে নাফ নদ দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেছে।
রবিবার ভোরে চৌকস আভিযানিক দলটি উল্লেখিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র্যাব সদস্যগণ দুইজন ব্যক্তিকে ধাওয়া করে আটক করে। তাদের সাথে থাকা দুইটি বস্তার মধ্যে মোট পাঁচ লক্ষ ষাট হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। যার মূল্য ২০ কোটি টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকার করে। এরা হলো পিন্ডিসং জেলার ফর্তু এলাকার সুলিয়াপাড়ার আবদুল আলীর পুত্র
করিম আলী (৩২) ও রাখাইনের মংডুর দলিয়া পাড়ার সৈয়দ হোসেনের পুত্র হাসান আরাফ(৪৪)। তারা ইয়াবা চোরাচালানে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।
এছাড়াও ১ আগস্ট সন্ধ্যায় অপর একটি অভিযানে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড়ইতলী এলাকা থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ জন মাদক কারবারিকে আটক করে। থানায় মামলা দায়ের ও আসামীকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক আরও জানান, ১০ দিনে ১৫ র্যাপিড এ্যকশন ব্যাটালিয়ন ৮ লাখ পিস ইয়াবা, গাঁজা ৭৬.২ কেজি, ৭টি বিভিন্ন মডেলের আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৭ রাউন্ড গুলি এবং অপহৃত ২ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত, যাবজ্জীবন এবং বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত ৪২ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।