শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার জেলা

কক্সবাজারের চার আসনে পোস্টাল ব্যালেটে ভোট দিয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩০ জন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৮ হাজার ৬৩০ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দিরা প্রথমবারের মতো অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে এ সুবিধা গ্রহণ করেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও পোস্টাল ভোট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইরফান উল হাসান জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চারটি আসন থেকে মোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর এসব পোস্টাল ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

আসনভিত্তিক হিসাবে সর্বাধিক পোস্টাল ভোট পড়েছে কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৯১৭ জন। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ৯ হাজার ৬৩৫টি, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ৪ হাজার ২১২টি এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে ৩ হাজার ৮৬৬টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর কক্সবাজার ইনডোর স্টেডিয়ামে নিয়মিত ভোট গণনার আদলেই এসব পোস্টাল ভোট গণনা করা হবে। এ জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতি ৩০০ ভোটের জন্য একজন করে সহায়ক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রার্থীরা চাইলে সরাসরি উপস্থিত থেকে কিংবা এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে ভোট গণনা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ভোট গণনা প্রক্রিয়া সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। স্ক্যানিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই শেষে ব্যালট বাক্স খোলা হবে এবং স্বচ্ছভাবে ভোট গণনা সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ব্যালটও আলাদাভাবে গণনা করা হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ,বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমান ছাড়াও মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা পোস্টাল ভোট প্রদান করেছেন। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দিরাও এ ব্যবস্থার আওতায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে সংশ্লিষ্টরা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তবে পর্যাপ্ত প্রচার-প্রচারণার অভাবে অনেক সম্ভাব্য ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে পারেননি-এমন অভিযোগও উঠেছে।

ক্যাটাগরি