বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়া

চকরিয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতি ও মা-মেয়েকে ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৫

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনী ঘোনা এলাকায় সংঘটিত সংঘবদ্ধ ডাকাতি ও মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (৯ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৪০ মিনিটের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডলনী ঘোনা এলাকার একটি পাকা বসতবাড়ির গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা বাড়ির এক নারী ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার খবর পেয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এবং মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ অভিযানিক দল অভিযান চালায়। অভিযানে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সাহারবিল ইউনিয়নের কোরালখালী এলাকার তারেক (২৫), পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনী ঘোনা সিকদারপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কদ্দাছড়া এলাকার মেহেদী (২৪), ডলনী ঘোনা সিকদারপাড়া এলাকার তানজীদ (২৫) এবং কেফায়েত হোসেন (২৫)।
এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় পেনাল কোডের ডাকাতি সংক্রান্ত ধারাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২৫) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চকরিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন, ডাকাতি এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।

ক্যাটাগরি