সদর উপজেলা

খুরুশকুলে পাহাড় কাটার প্রতিবাদ করায় গণমাধ্যমকর্মীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় সাধারণ ডায়েরি।

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করায় গণমাধ্যমকর্মীকে প্রাণনাশের হুমকি, মারধর ও ক্ষতিসাধনের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও গণমাধ্যমকর্মী আনোয়ার হোছন।

থানায় জমা দেওয়া জিডি সূত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোছন স্থানীয় দৈনিক কক্সবাজার সংবাদ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। খুরুশকুল ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি ও পাহাড় ধসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় তিনি গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বোবা সেজে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি ভিডিও নিজের নামীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং নিউজ পোর্টালসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়নি কিংবা পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত কারও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগকারী দাবি করেন।

এরপর থেকেই কয়েকজন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ছবি প্রকাশ করে ভয় দেখানো, মারধর এবং ডাম্পার চাপা দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার মতো অভিযোগও করেছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এসব হুমকির কারণে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। অভিযুক্ত হিসেবে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে ১. আবু সুফিয়ান, ২. মোঃ সামরান, ৩. জিয়াউল প্রকাশ কালাইয়া। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্যাটাগরি